রবিবার, ১৮ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং। ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ১০:০৫








প্রচ্ছদ » বিচিত্র সংবাদ

রক্ত ঝড়া ঝর্ণাটির আসল রহস্য কি?

রক্তের জলপ্রপাত, অ্যান্টার্কটিকা । বরফের মাঝে রক্তের ছাপ। কী অদ্ভুত! অ্যান্টার্কটিকার এই জলপ্রপাতকে বলা হয় রক্তের জলপ্রপাত। গবেষকদের মতে, সেখানকার মাটিতে থাকা আয়রন ও সালফারের পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় পানির রঙ লাল হয়। এই লাল পানিই বরফের মাঝে রক্তের মতো মনে হয়। আরো বিস্ময়ের বিষয় হলো, এত ঠাণ্ডায় সেই পানি জমে না।

অস্ট্রেলিয়ান ভূতাত্তিক গ্রিফিথ টেলর ১৯১১ সালে অ্যান্টার্কটিকার এই রক্তের নদীকে প্রথমবার আবিষ্কার করেছিলেন। প্রথমে তিনি মনে করেন যে এই লাল রঙ আণুবীক্ষণিক লাল শেত্তলাগুলি জন্যই হয়েছে। যদিও এই তত্ত্বে ২০০৩ সালে রক্তের ঝর্ণার কাহিনী ভুল প্রমাণিত হয়। কলোরাডো কলেজ ও আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নতুন গবেষণায় দেখা যায়, এই পানি একটি বিশালাকার তালাব হতে আসছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

অপরদিকে আরেকদল গবেষক বলেছেন যে, কোন ধরনের অনুজীবের কারণে এমনটি ঘটে এবং সেখানকার মাটিতে থাকা আয়রণ ও সালফারের পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ার কারণেই পানির রঙ লাল হয়। এদিকে এতো ঠাণ্ডার মধ্যেও কেনো লাল পানিগুলি জমে বরফে পরিণত হচ্ছেনা সেটিও একটি রহস্যময় ব্যাপার।

এন্টার্টিকায় তীব্র গতিবেগ সম্পন্ন এক ধরনের বায়ু প্রবাহ হয়ে থাকে যার নাম ক্যাটাবেইটিক বায়ু (Katabatic wind)। এই বায়ুপ্রবাহের স্বাভাবিক গতি ঘণ্টায় ২০০ কিমি বা ১২৭ মাইল। এই তীব্র বায়ুর প্রভাবে ড্রাইভ্যালীর ভূপৃষ্ঠের বরফের আস্তরণ সরে গিয়ে মাটি আর পাথরের স্তর বের হয়ে অবশিষ্ট রেখে গেছে কয়েকটা ছোট, ভাঙ্গাচোরা লেক, ২-১ টা হিমবাহ এবং অসংখ্য জমে মমি হয়ে যাওয়া সীল মাছ।

গবেষকদের মতে, সেখানকার মাটিতে থাকা আয়রন ও সালফারের পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় পানির রঙ লাল হয়। এই লাল পানিই বরফের মাঝে রক্তের মতো মনে হয়। অ্যান্টার্কটিকার এই রক্তের নদীকে প্রথমবার ১৯১১ সালে আবিষ্কার করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ভূতাত্তিক গ্রিফিথ টেলর। প্রথমে তিনি মনে করেন এই লাল রঙ আণুবীক্ষণিক লাল শেত্তলাগুলি জন্য হয়েছে। যদিও এই তত্ত্ব ২০০৩ ভুল প্রমাণিত হয়।

আরও পড়ুন>>> বিখ্যাত মনীষীদের ১০০ বাণী