বৃহস্পতিবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং। ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। দুপুর ২:৪২








প্রচ্ছদ » বিভিন্ন সংবাদ

টাঙ্গাইলে ১১ জনে পালাক্রমে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে রাতভর গণধর্ষণ ! অতঃপর….

ধর্ষণ একটি আতংকের নাম বর্মমান সমাজে। সারাদেশে ধর্ষনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে । লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু ।এবার ধর্ষনের শিকার হলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী। জানা গেছে

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক স্কুলছাত্রী রাতভর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে।উপজেলার নওয়াববাড়ী লিচু বাগান ছাত্রাবাসে নিয়ে ১১ জন পালাক্রমে রাতভর গণধর্ষণ করেছে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থীকে। গণধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী ধনবাড়ী সরকারি নওয়াব ইনস্টিটিউশন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

বুধবার (৭ নভেম্বর) ন্যাক্কারজনক এ ঘটনায় গণধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে ধনবাড়ী থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ধনবাড়ী থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, গত ১ নভেম্বর ওই শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার সাজেশন দেয়ার কথা বলে মোবাইলে ডেকে নিয়ে ধনবাড়ী নওয়াববাড়ী লিচু বাগান ছাত্রাবাসে নিয়ে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।

পরদিন রোববার (৪ নভেম্বর) সকালে মেয়েটিকে ধর্ষণের এ ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। ধর্ষণের বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ ঘটনার দৃশ্য ছেড়ে দেয়ারও হুমকি দেয়া হয় ওই ছাত্রীকে।

পরে মেয়েটি বাসায় গিয়ে তার বাবা-মায়ের কাছে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। এদিকে ধর্ষণের এ ঘটনাটি প্রভাবশালী মহলের চাপে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় আসামি পক্ষ।আসামিদের গ্রেফতারের স্বার্থে এর বেশি পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানায় থানা পুলিশ।

 

এ  বিষয়ে ধনবাড়ী থানার (ভারপ্রাপ্ত) ইনচার্জ অফিসার মজিবর রহমান জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগির বাবা বাদী হয়ে ধনবাড়ী নওয়াববাড়ী লিচু বাগান ছাত্রাবাসের ১১ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন।অভিযুক্তদের আটকের অভিযান চলছে আসা করছি অতি দ্রত গ্রেফতার করতে পারবো ।ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ডাক্তারি রিপোর্ট হাতে পেলে গণধর্ষণের বিষয়টি সহজে জানা যাবে ।