বুধবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০১৯ ইং। ৩রা মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। দুপুর ২:১৯








প্রচ্ছদ » প্রধান সংবাদ

যে কারণে এবার হার্ডলাইনে যাচ্ছে সরকার!

নির্বাচনের পরে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হার্ডলাইনে যাচ্ছে সরকার।আগামী সপ্তাহের যেকোন দিন  মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে কোনো ধরণের রাজনীতিক কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার। তবে আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা হলে তা সহ্য করা হবে না।

আসছে নতুন সরকারে যারা স্থান পাচ্ছে তাদের দক্ষতা, ত্যাগ, বিচক্ষণতা ও নেতৃত্বগুণসহ সার্বিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে গঠন করা হবে নতুন মন্ত্রীসভা। আওয়মী লীগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা তা নিশ্চিত। নতুন সররকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে হার্ডলাইনে থাকবে তা দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ইতোমধ্যে বিভিন্ন সভাসমাবেশে জানিয়ে দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (২ জানুয়ারি) গণভবনে বলেছেন, জনগণ আবারও বিজয়ী করে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করতে সবার সহযোগিতা কামনা করি। যেন দেশটাকে আমরা সুন্দরভাবে গড়তে পারি। বাংলাদেশ একটা অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ হবে। এখানে কোনো যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতিবাজের স্থান হবে না।

আওয়ামী লীগের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা অঙ্গীকারে রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দুর্নীতি একটি বহুমাত্রিক ব্যাধি। পেশিশক্তির ব্যবহার ও অপরাধের শিকড় হচ্ছে দুর্নীতি। এর ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও আইনের প্রয়োগ মুখ্য হলেও তা শুধু সরকারের দায় নয়, জনগণেরও দায় রয়েছে। আমরা মনে করি, দুর্নীতি দমনে প্রয়োজন সরকার ও জনগণের সমন্বিত পদক্ষেপ।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যে বা যারা নির্বাচনের পর বিরোধীপক্ষের উপর অন্যায় কাজ করবে তাদের ক্ষমা করা হবে না। উন্নয়ন ও জনগণের সার্থে সরকার হার্ড লাইনে থাকবে।

আরও পড়ুন... গুণীজনের ১০০ বাণী , যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে