রবিবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং। ৫ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ১১:২৮








প্রচ্ছদ » এটা কোন ক্যাটাগরি না (Super Six)

চীনের উইঘুর মুসলিমদের পাশে এরদোগান

আবদুর রহিম হায়াত চীনে একজন ‘দোতারা’ শিল্পী হিসেবে বিখ্যাত। তিনি বেইজিংয়ে সংগীত বিষয়ে পড়াশোনা করেন। উইঘুর সম্প্রদায়ের পূর্বপুরুষদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে শ্রদ্ধাশীল হতে অনুপ্রেরণামূলক ‘আবা’(জনক) শিরোনামে একটি গানের জন্য তাকে আটক করা হয়।

গানটির কথা ‘উইঘুর’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছিল। গানের এক জায়গায় ব্যবহৃত ‘যুদ্ধের শহীদেরা’ শব্দ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয় চীন কর্তৃপক্ষ। হায়াত এই গানের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে উসকানি দিয়েছেন বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। এ অভিযোগে তাকে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।সাজাপ্রাপ্তির দুই বছরের মাথায় শনিবার কারাগারেই মৃত্যুবরণ করেন জনপ্রিয় এ ‘দোতার’ শিল্পী।

হায়াতের মৃত্যুর পর এবার উইঘুর মুসলিম বন্দি শিবিরগুলো বন্ধ করতে চীনের প্রতি জোর দাবি জানালো সামরিক শক্তির দিক দিয়ে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ তুরস্ক।সেইসঙ্গে চীনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ মহাসচিবের হস্তক্ষেপও কামনা করে এরদোগান সরকার।শনিবার এক বিবৃতিতে তুর্কী পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় উইঘুর বন্দিশিবিরগুলোতে মুসলমানদের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হামি আকসয় বলেন, উইঘুরে দশ লাখের বেশি মুসলিমদের ওপর যে ব্যাপক নির্যাতন চলছে, এটি এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। রাজনৈতিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাদের মানসিক নির্যাতনও করা হচ্ছে।একুশ শতকের এ সময়ে বন্দিশিবিরে দশ লাখের বেশি মানুষকে আটক রাখার বিষয়টি মানবতার জন্য লজ্জাজনক উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, উইঘুর মুসলিমদের বিষয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় পলিসি মানবতার জন্য কলঙ্কের বিষয়।

আন্তর্জাতিক একটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, উইঘুর বন্দিশিবিরগুলোতে আনুমানিক ১০ লাখ মুসলিমকে বন্দি রেখেছে চীন সরকার।তবে এগুলোকে বন্দি শিবির বলতে নারাজ চীন। তারা বলছে,এখানে তারা উইঘুর মুসলিমদের নতুনভাবে দীক্ষিত করে। তাদের ভাষায় এগুলো বন্দিশিবির নয়,রি এডুকেশন সেন্টার।

আরও পড়ুন... বিখ্যাত প্রেমের কবিতা