বুধবার, ২৭শে মার্চ, ২০১৯ ইং। ১৩ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ৩:০৩








প্রচ্ছদ » আইন ও আদালত

সৌদি কর্মকর্তা হত্যার দায়ে বাংলাদেশি সাইফুলের ‘মৃত্যুদণ্ড’ কার্যকর

২০১২ সালের ৫ মার্চ ঢাকার গুলশানে কূটনৈতিক এলাকায় সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলীকে গুলি করা হয়। পর দিন ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যায় খালাফ আল আলী।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করে। ওই মামলায় ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে।

পরে ২০১৩ সালে হাইকোর্ট সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

সাজাপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। আজ রোববার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

জেল সুপার শাহজাহান আহম্মেদ রাতে কারাগেটে এক ব্রিফিংয়ে জানান, সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড রাত ১০টা ১মিনিটে কার্যকর করা হয়েছে। সাইফুল ইসলাম মামুন বাগেরহাটের স্মরণখোলা থানার মধ্য খোন্তাকাটা এলাকার মৃত. আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে।

২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানে নিজ বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন সৌদি আরবের দূতাবাসে কর্মরত দেশটির নাগরিক খালাফ আল আলী। পর দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গুলশান থানা পুলিশ এ ঘটনায় মামলা করে। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর নিম্ন আদালত মামলার পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। হাইকোর্ট ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তিন আসামি আকবর আলী ওরফে রবি, মো. আল আমিন ও রফিকুল ইসলাম খোকনকে যাবজ্জীবন এবং একজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন... বিখ্যাত প্রেমের কবিতা

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...