বৃহস্পতিবার, ২৫শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং। ১২ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। রাত ১০:৪৩








প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

সারাবিশ্বে ভয়ঙ্কর বিপদের আশঙ্কা, পারমাণবিক ঘড়ি বন্ধ হতে পারে আজ!

একটি পারমাণবিক ঘড়িটি একটি ক্লক ডিভাইস যা একটি ইলেক্ট্রন ট্রান্সফ্রেশনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে মাইক্রোওয়েভ, অপটিক্যাল, অথবা পরমাণুগুলির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বর্ণালীর অতিবেগুনী অঞ্চল যা তার টাইমিংিং উপাদানের জন্য একটি ফ্রিকোয়েন্সি স্ট্রেন হিসাবে ব্যবহার করে। পারমাণবিক ঘড়ি হল সবচেয়ে সঠিক সময় এবং ফ্রিকোয়েন্সি স্ট্যান্ডার্ডগুলি পরিচিত এবং টেলিভিশন সম্প্রচারের তরঙ্গ ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক জাভা সফটওয়্যার সিস্টেম যেমন জিপিএস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আন্তর্জাতিক সময় বিতরণ পরিষেবাগুলির প্রাথমিক মান হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

একটি পারমাণবিক ঘড়ি অপারেশন নীতি পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা উপর ভিত্তি করে; এটি মাইক্রোওয়েভ সিগন্যাল ব্যবহার করে যে ইলেকট্রন ইলেকট্রনগুলি নির্গত হয় যখন তারা শক্তি মাত্রা পরিবর্তন করে। প্রারম্ভিক পারমাণবিক ঘড়ি কক্ষ তাপমাত্রায় masers উপর ভিত্তি করে ছিল। বর্তমানে, সবচেয়ে সঠিক পারমাণবিক ঘড়িগুলি প্রথমে নিখুঁত শূন্য তাপের কাছাকাছি পরমাণুকে লেজার দিয়ে ধীরে ধীরে এবং একটি মাইক্রোওয়েভ ভরা গহ্বরে পারমাণবিক ফোয়ারাগুলিতে অনুসন্ধান করে। এটি একটি উদাহরণ NIST-F1 পরমাণু ঘড়ি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রাথমিক সময় এবং ফ্রিকোয়েন্সি মান এক।

এই ঘড়ি ১৯৮০-র ৬ জানুয়ারি চালু হয়েছিল। সেই ঘড়ির দম ফুরিয়েছিল ১৯৯৯-র ৬ এপ্রিল। ফের দম দেওয়া হয়েছিল পারমাণবিক ঘড়িতে। এবার আবার  সাড়ে ১৯ বছর পর আজ ভয়ঙ্কর বিপদের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে! বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায়, গোটা বিশ্বে পারমাণবিক ঘড়ি বা অ্যাটমিক ক্লকের দম ফুরিয়ে যাবে!  ৬ এপ্রিল মধ্যরাতের পর আবার ঘড়ির দম ফুরিয়ে যাবে। ১ হাজার ২৪ সপ্তাহ বা ১৯ বছর ৭ মাস পর ফুরোচ্ছে দম। কাজেই নতুন করে দম দিতে হবে।

ওই ঘড়ির উপরেই পুরোপুরি নির্ভরশীল ‘গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম’ বা জিপিএস। কাজেই ঘড়ির দম ফুরোলে জিপিএস গন্ডগোল হয়ে যাওয়ার জোর আশঙ্কা রয়েছে।

জিপিএসের উপর নির্ভরশীল ইন্টারনেট। নির্ভরশীল নেট-ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা। নির্ভরশীল পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথে থাকা অন্তত ৫ হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ। নির্ভর করে রয়েছে সমুদ্র ও আকাশে নেভিগেশনের অনেকটাই।

তাই প্রশ্ন সর্বত্রই, অনেকটা লোডশেডিংয়ের মতোই মাঝরাতের পর ঝুপ্ করে বন্ধ হয়ে যাবে না তো বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা? অকেজো হয়ে পড়বে না তো নেট-ব্যাঙ্কিং। আচার, আচরণে ‘পাগলামো’ ধরা পড়বে না তো পৃথিবীর বিভিন্ন কক্ষপথে থাকা মহাকাশযান আর উপগ্রহগুলির?

নেভিগেশনে বড় ধরনের ওলটপালট হওয়ার ফলে নাবিকরা বিপদে পড়বেন না তো মাঝসমুদ্রে? বিপদে পড়বেন না তো মৎস্যজীবীরা? বিগড়ে যাবে না তো বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসানো ভূকম্প বোঝার যন্ত্রগুলি? তবে বিজ্ঞানী মহল জানিয়েছে, আগেভাগেই কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া আছে।

আরও পড়ুন... বিখ্যাত প্রেমের কবিতা

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...