মঙ্গলবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং। ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। বিকাল ৩:০৯








প্রচ্ছদ » বিনোদন

মারা যাওয়ার আগে অঞ্জনাকে যে কষ্টের কথা বলেছিলেন টেলি সামাদ

গতকাল শনিবার (৬ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান টেলি সামাদনি।টেলি সামাদের শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা অঞ্জনা। মৃত্যুর খবর শোনার পর স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন তিনি। ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি আর ভিডিও শেয়ার করেছেন অঞ্জনা। লিখেছেন তার অনুভূতিও।অঞ্জনা লিখেছেন, ‘আমার জীবনের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র দস্যু বনহুর থেকে টেলি ভাইয়ের সাথে আমার পারিবারিক সম্পর্ক। সবসময় ওনার সাথে আমার যোগাযোগ ছিলো। টেলি ভাই নেই কথাটি শুনেই বুকের ভিতর ধাক করে উঠলো!’

‘‘এইতো সেদিন আমি ধানমন্ডিতে একটি অনুষ্ঠানে; হঠাৎ টেলি ভাইয়ের বড় মেয়ে আমাকে কল করলেন, ‘আন্টি, বাবার অবস্থা খুবই খারাপ আমরা পিজি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেছি বাবাকে।’আমি এক মূহুুর্ত দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে পিজি হাসপাতালে গিয়ে উপস্থিত হই! আমাকে দেখে আমার মনে হলো টেলি ভাই যেনো সুস্থ হয়ে গেছে। উনি কথা বলতে পারছিলেন না, তারপরও আমাকে কষ্ট করে কতো কথা জিজ্ঞাসা করলেন।’

‘‘আমি কাঁদছিলাম। উনি বললেন, ‘আরে অঞ্জনা কান্না করিস না। আমি সুস্থ হয়ে যাবো। তুই আমাকে দেখতে এসেছিস, হাসি মুখে থাক, তাহলে আমার ভালো লাগবে।’ উনি একটু কষ্ট নিয়ে বললেন, ‘তুই আর জায়েদ খান ছাড়া আমাকে একটি লোক দেখতে আসলো না। এতোটা দিন যাবত অসুস্থ… এই কথাটি বলো দীর্ঘ নিশ্বাস নিলো ‘’‘আরে কতো কাজ করেছি সবার সাথে আজ অসুস্থ হয়ে পড়াতে কেউ খোজ নেয় না, বলে কেঁদে দিলেন। আমি বললাম টেলি ভাই কেউ না আসুক আমি তো এসেছি। উনি বললেন, হ বোন।’

‘আজ এই কথাগুলো বারবার মনে পড়ছে। আমি আমার জীবনের প্রথম চলচ্চিত্র থেকে অসংখ্য, প্রায় ১০০-এর বেশি ছায়াছবিতে টেলিসামাদ ভাইয়ের সাথে কাজ করেছি। আমার প্রযোজনায় নির্মিত প্রতিটি ছায়াছবিতে আমি টেলিসামাদ ভাইকে রেখেছি,’ লিখেছেন অঞ্জনা।‘আপনি যেখানে থাকেন, ভালো থাকেন,’ লেখার শেষে প্রার্থনা অঞ্জনার।

আরও পড়ুন... বিখ্যাত প্রেমের কবিতা

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...