সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং। ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। সকাল ৯:৫৯








প্রচ্ছদ » শিল্প সাহিত্য

বইমেলায় রেদোয়ান মাসুদের “অপেক্ষা”

২০১৮ সালের একুশে বইমেলায় এসেছে সম্পূর্ণ বাস্তব ঘটনা নিয়ে লেখা জনপ্রিয় লেখক রেদোয়ান মাসুদের ১ম উপন্যাস “অপেক্ষা”।বইটি পাওয়া যাচ্ছে একুশে বই মেলার (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ১৪৫-১৪৮ নং স্টলে। বইটি প্রকাশ করেছে সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা শব্দশৈলী।
বইটির প্রকাশক ইফতেখার আমিন।

 

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

ইতিমধ্যে বইটি পাঠকের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। এ প্রসঙ্গে রেদোয়ান মাসুদ বলেন আমি এই বইটি নিয়ে খুবই আশাবাদি। আশা করি বইটি পড়ে পাঠকের মনের তৃষা মিটবে। বইমেলা এখনও সেভাবে জমে উঠেনি। তারপরও পাঠকেরা যেভাবে বইটি সংগ্রহ করছে তাতে আমি খুবই আনন্দিত।

এছাড়া একই প্রকাশনীতে পাওয়া যাচ্ছে রেদোয়ান মাসুদের আরো তিনটি কবিতার বইঃ মনে পড়ে তোমাকে, অনেক কথা ছিল বলার ও মায়ের ভাষা।

রেদোয়ান মাসুদ ১৯৮৮ সালের ৬ই জানুয়ারী শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানাধীন মোড়ল কান্দি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবার নাম মোঃ নুরউদ্দিন মোড়ল ও মাতার নাম জামিলা খাতুন। ২০০৬ সালে তার মা মারা যান।

তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগ থেকে এমবি এ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তথ্য ভান্ডার “বাংলাকোষ” এর প্রতিষ্ঠাতা ও সি ই ও, হেলথ এইড হাসপাতাল লিমিটেড এর পরিচালক ও জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল মোড়ল নিউজ এর বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক।

কবিতা চর্চার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করেন। ২০১৪ সালে বই মেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ“মায়ের ভাষা”। ২০১৫ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার ২য় কাব্যগ্রন্থ “মনে পড়ে তোমাকে”। ২০১৭ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার ৩য় কাব্যগ্রন্থ “অনেক কথা ছিল বলার”। তার মনে পড়ে তোমাকে ও অনেক কথা ছিল বলার বই ২’টি কলকাতা বইমেলায়ও প্রকাশিত হয়েছে। যা পাঠকের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

তিনি কবিতা ও উপন্যাস লেখার পাশাপাশি ইতিহাস চর্চাও করে যাচ্ছেন। ইতিহাসের উপর কয়েকটি বই প্রকাশের জন্য কাজ শুরু করেছেন।

অপেক্ষা উপন্যাসটির ছোট্ট একটি অংশ নিচে দেয়া হলোঃ

আসলে নৌকায় ছিদ্র হলে উপর দিয়ে কাদামাটি দিয়ে কখনও পানি বন্ধ করা যায়না। সাদিয়ারও ঠিক একই অবস্থা। নীরবকে ভুলতে চায়। কিন্তু যোগাযোগ ঠিকই রাখে। নীরবের প্রথম বিয়ের পর থেকে ঠিকই যোগাযোগ রেখে চলেছে। যদিও সে বোঝে যে এটা ঠিক না। তারপর মাঝে কয়েকদিন কথা বলা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এভাবে থাকতে পারে না বেশিদিন আবার ফোন দিয়ে কথা বলে নীরবের সাথে। কারো সাথে যোগাযোগ রেখে কখনও কাউকে ভোলা যায়না। ভুলতে হলে একবারেই ভুলতে হয়। হয়তো অনেক কষ্ট হয়। তারপরও ভালো। বারবার কষ্ট পাওয়ার চেয়ে একবারে কষ্ট পাওয়াই ভাল।

কিন্তু সাদিয়াকে নীরব ফোন দিয়ে আসছে। শুধু বারবার সাদিয়ার কাছে কেঁদে কেঁদে একই কথা বলে “আমাকে কখনও ছেড়ে যেওনা,আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না,আমি মরে যাব”। আর সাদিয়াও একটা বোকা মেয়ের মত কাজ করে আসছে শুরু থেকেই। নীরবের কথা চুপচাপ মেনে নিয়ে যোগাযোগ রেখে চলেছে। নীরবের প্রথম বিয়ের পর থেকে সে যদি আর কোন যোগাযোগ না করত তাহলে হয়তো নীরব সংসারে মনোযোগ দিত,অতীত ভুলে বর্তমান নিয়ে ভাবত। কিন্তু সাদিয়াকে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করলে সাদিয়ার মন গলে যায়। নীরবের জন্য আবার ব্যাকুল হয়ে পরে। নীরবও আবার সাদিয়ার জন্য অস্থির হয়ে যেত।

এভাবে কেউ কখনও কাউকে ভুলতে পারেনা। হয়তো ভোলার চেষ্টাও করে না। আমাদের সমাজে এমন কিছু ছেলে আছে যারা মেয়েদের আবেগ নিয়ে খেলা করে। ভালোবাসার অযুহাতে মেয়েদের সব কিছুই কেড়ে নেয়। পরে মেয়েরাও তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। পায়ে শিকল লাগিয়ে চলে যেতে বলার মত অবস্থা। ঠিক এরকমই হল আজকালের অবস্থা। নীরবও এর থেকে কম যায়নি। সাদিয়াকে নিয়ে সে এক সর্বনাশী আবেগী খেলায় মেতে উঠেছে। সাদিয়াকে যদি সে প্রকৃত পক্ষেই ভালোবেসে থাকত তাহলে সে তাকে মুক্তি দিয়ে দিত। সাদিয়াকে নতুন জীবন শুরু করতে বলত। সাদিয়া অবিবাহিত একটা মেয়ে আর নীরব বিবাহিত। নীরবের ঘরে একটা ছেলেও আছে। সাদিয়া সুখে থাকতে পারত। অবশ্য বলেছেও কখনও কখনও। কিন্তু পিছুটান রেখেছে সবসময়।

সাদিয়া যখন অন্য ছেলের সাথে কথা বলত আর নীরব ওয়েটিং পেত তখন নীরব সাদিয়ার জন্য অস্থির হয়ে যেত। সাদিয়াকে ফোন দিয়ে পরে অনেক কান্নাকাটি করত। বারবার শুধু একই কথা বলতো, প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেওনা। তোমাকে ছাড়া আমি বাচবো না। নীরবের এই কথার জন্য সাদিয়াও কখনও ওকে ভুলতে পারেনি। নীরবও ভুলতে দেয়নি সাদিয়াকে। এক কথায় নীরব বার বার সাদিয়ার আবেগ নিয়ে খেলা করছে। এতে যে সাদিয়ার জীবনটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাতে যেন তার কিছুই আসে যায় না।

নিজে মরবে তো মরবে সাথে আবার আরেকজনকেও নিয়ে মরবে। নীরব যদি কোন জ্ঞানী লোক হত তাহলে সে কখনই সাদিয়াকে ধরে রাখতো না। এভাবে সাদিয়ার জীবন নিয়ে খেলত না। সে নিজেই যোগাযোগ বন্ধ করে দিত সাদিয়ার সাথে। সাদিয়াও সবকিছু ভুলে নতুন জীবন শুরু করতে পারত।

তার উচিত ছিল সাদিয়াকে মুক্তি দেয়া। ভালোবাসা মানে এই নয় যে কাউকে বিয়ে করতেই হবে, কখনও কখনও ভালোবাসার মানুষের সুখের জন্য বুকের ভেতর শত যন্ত্রনা ঢেকে রেখে হাসি মুখে প্রেমিকাকে বিদায় দিতে হয়। সবসময় আবেগ দিয়ে সব কিছু হয়না। কখনও কখনও বিবেক দিয়ে আবেগকে তাড়াতে হয়। আর এটাই হল বাস্তবতা,একে যত তাড়াতাড়ি মেনে নেয়া যায় ততই ভালো।

বিখ্যাত মনীষীদের ১২০ টি বাণীঃ যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে
এই সময়ের তরুণ কবি রেদোয়ান মাসুদ
প্রেমের কাহিনী!!


সর্বশেষ সংবাদ

ফিল্মফেয়ার জিতলেন জয়া আহসান

সাব্বিরের সাথে লাইভে তরুণী, নগ্ন ছবি প্রকাশ

ওবায়দুল কাদের এমন তথ্য কোথায় পেলেন?

গৃহকর্মী থেকে ফাতেমার মাইক্রোসফট ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার গল্প!(ভিডিও সহ)

কবর দেয়ার ১১ দিন পর ভেসে আসল চিৎকার! (ভিডিও সহ)

অল্প বয়সে চুল পরে কেন?

বেপরোয়া সাব্বির, গভীর রাতে মেয়ে ইস্যুতে ফের বিতর্কিত!

জয় ‘না হলে আমি নিজেই আত্মহত্যা করবঃঅপু বিশ্বাস

দাদী-নাতির অবৈধ সম্পর্কের জেরে সন্তান প্রসব, অতঃপর….

পারিবারিক নির্যাতনের শিকার রানি মুখার্জি!

আমরা শারীরিক সম্পর্কেও লিপ্ত হই কিন্তু…

নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন খালেদা জিয়া

আমি ফাঁসি দিলাম, লাশটা নিয়া যাইস’

সৌদিতে প্রবাসীদের উপর ফি প্রত্যাহারের অনুরোধ

এক লাখ সৌদি প্রবাসী পরিবারের সামনে শুধুই অন্ধকার

৫০০ বোকো হারাম সদস্যের মুক্তি

কী ছিলো বিএনপির ৭ধারায়, যা বাদ দেয়ায় এতো বির্তক ? 

মৃত্যুর আগাম বার্তা জানিয়ে দিতে পারে যেসকল প্রাণীগুলো, জেনে নিন!

রাতারাতি আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক চাইলেন প্রিয়া

যানজট কমাতে ঢাকায় চালু হচ্ছে ইন্টেলিজেন্ট ট্রাফিক সিস্টেম





error: Content is protected !!
Copy to clipboard