রবিবার, ২২শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং। ৯ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ১০:০১








প্রচ্ছদ » সম্পাদকীয়/কলাম

বিমান দুর্ঘটনায় যারা পুড়ে গেছেন, আহত হয়েছেন; সামনে অপেক্ষা করছে ভয়াবহ সময়!

বিমান দুর্ঘটনায় যারা পুড়ে গেছেন, আহত অবস্থায় নেপালের হাসপাতালে রয়েছেন, তাদের জন্য সামনের দিনগুলোতে ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে। কারণ, নেপালে পুড়ে যাওয়া রোগিদের জন্য ভালো কোন চিকিৎসা নেই। অনেকটা আমাদের জেলা শহরের হাসপাতালগুলোর মতো।

পুরো নেপালে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিসক রয়েছেন মাত্র একজন, যিনি আমাদের বার্ন ইউনিট থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে গেছেন। তাহলে উপায়? তাদের দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশের ৩ টি বেসরকারি হাসপাতালের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

(বি. দ্র. ঃ পুরো বিষয়টি সামনে এনেছেন সাপ্তাহিকের সম্পাদক গোলাম মোর্তোজা ভাই । তাকে ধন্যবাদ।

” প্রথম দিন থেকে বলছি, নেপালের চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। আহতদের সঠিক চিকিৎসা নেপালে সম্ভব নয়। বিশেষ করে পুড়ে যাওয়া রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা নেপালে নেই। পুড়ে যাওয়া রোগীর চিকিৎসা করতে সক্ষম এমন মানসম্পন্ন একজন চিকিৎসক আছেন নেপালে। যিনিও ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিট থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে গেছেন।

নেপালে এখন বেঁচে যাওয়া ৮ জন বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন। তার মধ্যে পুড়ে যাওয়া ৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তারা হাসপাতালে থাকলেও আসলে তাদের চিকিৎসা হচ্ছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে তারা বিনা চিকিৎসাতেই মারা যাবেন। এই অবস্থায় করণীয় কী?
বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রতি সরকারের সংবেদনশীল আচরণ প্রত্যাশিত ছিল। দুর্ঘটনা ঘটার তিন বা চার ঘণ্টার মধ্যে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুলে দেওয়া হয়। সন্ধ্যার পর থেকেই সরকার চাইলেই বাংলাদেশের আহতদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার সুযোগ ছিল। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পাঠানো যেত। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের বাংলাদেশে নিয়ে আসা যেত। এসবের কিছুই করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, সব কিছু প্রস্তুত আছে। নেপাল সহায়তা চাইলেই পাঠানো হবে। মানুষ মরছে বাংলাদেশের, নেপাল কখন কবে সহায়তা চাইবে- তার জন্যে অপেক্ষা করে থাকতে হবে?

এমন তো নয় যে, নেপালে যাওয়ার জন্যে ভিসা দরকার হয় বা অন্য কোনও জটিলতা আছে।
অনেক বিজ্ঞকে বলতে দেখলাম, নেপাল না চাইলে বাংলাদেশ ইচ্ছে করলেই ডাক্তার পাঠাতে পারবেন না। একটা নিয়ম-কানুন আছে। খোঁজ নিয়ে জানলাম, বাংলাদেশ ইচ্ছে করলেই পাঠাতে পারত। জটিল নিয়ম কানুনের কোনও বিষয় এখানে নেই। তারপর বলা হলো, আগুনে পোড়া এত গুরুতর রোগীদের স্থানান্তর করা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞ দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝার জন্যে কথা বললাম ডা. সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে। ডা. সামন্ত লাল সেন, আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসায় এক নির্ভরতার নাম। শুধু বাংলাদেশ নয়, আমাদের এই পুরো অঞ্চলে তিনি সুপরিচিত। একক প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছেন ঢাকা মেডিক্যালের অত্যাধুনিক বার্ন ইউনিট। যা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।

তিনি বললেন, ‘নেপালে পুড়ে যাওয়া রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা কেমন তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। সেখানে একজন ডাক্তার আছেন। যিনি আমাদের এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে গেছেন। আজ আমাদের দু’জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেপালে যাচ্ছেন।’
এই দু’জন গেলে কী বাংলাদেশের আহতরা চিকিৎসা পাবেন?

‘নিশ্চয় তারা, তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবেন। তবে মনে রাখতে হবে, পুড়ে যাওয়া রোগীদের চিকিৎসা শুধু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেই সম্ভব নয়। এর জন্যে ইকুইপমেন্টগত সাপোর্ট অপরিহার্য। যা আমাদের আছে। নেপালে আছে বলে মনে হয় না।’
কিন্তু অনেকেই বলছেন গুরুতর পুড়ে যাওয়া রোগীদের স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে করণীয় কী?
‘গুরুতরভাবে পুড়ে যাওয়া রোগীদের স্থানান্তর করা একটা বড় সমস্যা। উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় ভেতরে থাকা যাত্রীরা যখন শ্বাস নেন, তখন তাদের শ্বাসনালী পুড়ে যায়। এটা খুবই ভয়াবহ ব্যাপার। দ্রুত প্রপার চিকিৎসা দিতে পারলেই শুধু বাঁচানো সম্ভব।’

নেপালে তো প্রপার চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। জেনেছি আমাদের জেলা-উপজেলা শহরগুলোর হাসাপাতালে যে ব্যবস্থা, নেপালে এসব পুড়ে যাওয়া রোগীরা তেমন চিকিৎসা ব্যবস্থায় আছেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে এদের আনার ব্যবস্থা করা যায় না?
‘এয়ার অ্যাম্বুলেন্স তো প্রায় একটি পূর্ণাঙ্গ অত্যাধুনিক হাসপাতাল। নিশ্চয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে তাদের আনার ব্যবস্থা করা যায়। কাজটা করতে হবে সরকারকে। আমরা পরবর্তী দায়িত্ব নিতে পারব। দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকেই আমরা প্রস্তুত হয়ে আছি।’

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে আসার যে দাবি দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকে করছি, বিশেষজ্ঞ ডা. সামন্ত লাল সেনও মনে করেন, নিয়ে আসা দরকার। কাজটা বা উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। বাংলাদেশে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ৩টি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আছে। ৩টি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটে উড়ে গিয়ে ৮ জন বাংলাদেশের আহত মুমূর্ষু মানুষকে নিয়ে আসতে পারে। প্রয়োজনে থাইল্যান্ড বা সিঙ্গাপুর থেকে আরও অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা যেতে পারে। সব মিলিয়ে দু’তিন কোটি টাকার বেশি খরচ হবে না। একটি রাষ্ট্রের জন্যে এটা কোনও বিষয়ই নয়।
‘সব ব্যবস্থা নিয়ে’ বসে থাকা সরকার, মানুষগুলো জীবিত থাকা অবস্থায় ‘যা যা করা দরকার’ করবে কিনা!)

লেখাটি সাংবাদিক এহসান জুয়েল’র ফেসবুক থেকে নেয়া



সর্বশেষ সংবাদ

কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড রাজধানী!জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে

৫শ’ পরিবারকে উচ্ছেদ না করার দাবিতে রেলওয়ের অফিস ঘেরাও

আজ বল হাতে ম্যাজিক দেখিয়েছেন সাকিব

আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচনে ফাইনাল খেলা হবে, সাহস থাকলে মাঠে আসুন

চেন্নাইয়ের বিপক্ষে কত রানে হেরে গেল হায়দ্রাবাদ? বিস্তারিত দেখুন

লাইভ করতে করতেই গুলিতে ঢলে পড়লেন সাংবাদিক

রাজধানীতে দু’পক্ষের গোলাগুলিতে চেয়ারম্যানের ভাই নিহত

এইমাত্র পাওয়াঃ ‘কোটা’ বাতিল ঘোষণা দিলেও, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে !

ছাত্রলীগ নেত্রীকে পেটালো বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে মুস্তাফিজের মুম্বাই, একাদশে আছেন যারা

সৌদিতে গোলাগুলির ঘটনায় যে নতুন আইন করলো সৌদি সরকার

এইমাত্র পাওয়াঃ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে, চেয়ারম্যান ও এমপি’র পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত- ১

যুক্তরাষ্ট্রে নগ্ন বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে, চেয়ারম্যান ও এমপি’র পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ১

বেড়েছে মালয়েশিয়ান রিংগিত রেট, দেখে নিন আজকের রেট কত!

মুনমুন আলেকজান্ডারের বিয়ে !

আগুনে পুড়িয়ে শিশু হত্যাকারী পরকীয়া প্রেমিক গ্রেফতার

যেভাবে বুঝতে পারবেন কোনটা দেশী মুরগি আর কোনটা পাকিস্তানি মুরগি

নাটোরে প্রেমিকের আত্মহত্যার খবরে প্রেমিকার আত্মহত্যা

হঠাৎ বিরাট দুসংবাদ, পরিবর্তন আসছে টিম মুম্বাইয়ে, শংকায় আছেন মুস্তাফিজ





error: Content is protected !!
Copy to clipboard