সোমবার, ১৮ই জুন, ২০১৮ ইং। ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। দুপুর ১২:০৯








প্রচ্ছদ » রাজনীতি

ভোটকেন্দ্র দখলের নির্বাচন আর কতদিন

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। বাংলাদেশ আমাদের গর্ব, বাংলাদেশ আমাদের অহঙ্কার এর মর্মকথা আমরা বাস্তবে উপলব্ধি করতে ও পারতে পদে পদে ব্যর্থ হচ্ছি। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে জাতীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে চলছে সরকারদলীয় লাগামহীন প্রভাব, ভোটকেন্দ্র দখলের নির্বাচন ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি, কারচুপি, তামাশা, নিরাপত্তার অভাব ও ভোটকেন্দ্রে ভীমরুলের হুল।

 

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

যা দেখে দেশের ভালো লোকগুলো কোনো অবস্থাতেই আজ জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্ষদের নির্বাচনে আসতে চায় না। এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ তুলে না ধরলেই নয়। এক সময় দেশের কোনো এলাকার সংসদ নির্বাচনে উচ্চ শিক্ষিত ও সমাজে ভালো লোক হিসেবে পরিচিত এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদ জামানায় ‘৮৮-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়। সকাল ৮টা থেকে ভোট আরম্ভ হলেও মাথায় লালপট্টি, বুকে নতুন বাংলা স্টিকার লাগিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল, ভয়ভীতি, দলীয় প্রভাব, ভোট কারচুপি ও ভীমরুলের হুল ফোটানো, ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ও সকাল ১১টার মধ্যে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রের ভোট সমাপ্তি পর্ব এবং ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ন্যক্কারজনক কর্মকা- দেখে সেই প্রার্থী বাকি জীবনে কোনো নির্বাচন করবে না মর্মে ঘোষণা দিয়ে পরের দিন পরিবার পরিজন নিয়ে দেশত্যাগ করে বিদেশে পাড়ি জমায়। সেই নির্বাচনে যেমনি থানা থেকে জয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়, তেমনি প্রিসাইডিং অফিসারেরও ভোট ডিক্লারেশনের প্রয়োজন হয়নি।

 

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথযাত্রা। এই নির্বাচনকে অনেকেই ওভার কিলিং দি অপজিশন বলে মনে করে থাকে। তেমনিভাবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনসহ জাতীয় সংসদের আরো অনেক নির্বাচন ও স্থানীয় সরকারের পর্ষদে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত ইউপি, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যে অনিয়ম, কারচুপি, ভোটকেন্দ্র দখলের মাধ্যমে যে তামাশার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার যেন শেষ নেই। মোদ্দা কথা এমন কিছু নির্বাচন ক্ষমতাসীন, রাজনৈতিক, সংস্কৃতি হিসেবে জগদ্দল পাথরের মতো মানসপটে বাসা বেঁধেছে। যে জ্বালা জনগণ ও ভুক্তভোগীদের প্রাণে সহে না, মন মানে না। এত কিছুর পরও দেশের মানুষের ধারণা ছিল ১৫ মে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হয়তো সরকারি দলের প্রভাবমুক্ত, ভয়ভীতিহীন, কারচুপি, ভীমরুলের হুল ও ভোটকেন্দ্র দখল ব্যতিরেকে খুলনা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্য আইনি জটিলতার কারণে আদালত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (জিসিসি) নির্বাচন স্থগিত করে এবং ২৬ জুন পুনরায় জিসিসি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিসশন (ইসি) পুনরায় তারিখ ঘোষণা করে থাকে। তদুপরি ১৫ মে যথারীতি কেসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৩৪টি ভোটকেন্দ্র এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (জিসিসি) নির্বাচনে ৪২৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৭টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যা ০৬/৫/১৮ ইং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে থাকে। আগেভাগে এত সতর্ক বার্তার পরও কেসিসি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল, অনিয়ম, ব্যালট পেপার ছিনতাই, প্রিসাইডিং, পুলিশ অফিসার ও প্রতিপক্ষ পুলিং এজেন্টদের নাজেহালের যে ন্যক্কারজনক সচিত্র প্রতিবেদন ১৫/৫/১৮ ইং রাতে মিডিয়ায় এবং ১৬/৫/১৮ ইং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা কেসিসি নির্বাচনের বেলাল্লাপনা ও অশনি সংকেতের দৃশ্যপট বলে বিভিন্ন মন্তব্যে চলে এসেছে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, মিডিয়া, গণমাধ্যম, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ও জাতিসংঘের মহাসচিব ও যার পর নাই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তাছাড়া বর্তমান বিশ্বে সমাজ বিজ্ঞানীদের মধ্যে যারা নির্বাচন নিয়ে গবেষণা করেন তারাও এদেশের চলছাতুরির নির্বাচন নিয়ে কম তৎপর নয়।

 

এদেশে বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচন থেকে তারা একেক ধরনের অভিজ্ঞতা লাভ করে থাকেন। সমপ্রতি খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন থেকে গবেষণালব্ধ সমাজ বিজ্ঞানীরা তাদের নেতিবাচক অভিজ্ঞতাকে আরো সমৃদ্ধ করেছেন। ক্ষমতাসীন দল কিভাবে বিরোধী দলকে কোণঠাসা করে, নির্বাচনে জয়লাভের ব্যবস্থা করে, নির্বাচনী প্রচারণাকালে কিভাবে সরকারি দলের পক্ষে পক্ষপাতিত্ব করা হয়, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হামলা, মামলা দিয়ে কিভাবে চাপে রাখা হয়, বিনা মামলায় বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের কিভাবে গ্রেফতর করা হয়, সরকারি প্রটোকল ব্যবহার করে আরপিও ভেঙে এমপি, মন্ত্রীরা কিভাবে নির্বাচনী প্রচার করে, দলীয় ধারণকৃত প্রশাসনও কিভাবে নির্বাচনের দিন সরকারদলীয় প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেন, কিভাবে সরকারি প্রশ্রয়ে বহিরাগত লোকজনকে নির্বাচনী এলাকায় এনে হোটেলে রেখে তাদের নির্বাচনে কারচুপি করার কাজে ব্যবহার করা হয় এসব ঘটনাও নির্বাচন নিয়ে সমাজ বিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে।

 

জাতীয় ও বিভিন্ন পর্ষদের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সাথে এসব কারণেই দীর্ঘদিন যাবৎ সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নির্বাচন বিশ্লেষক ও নির্বাচনের প্রার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছে। ইতিপূর্বে সিইসির সাথে আলোচনায় বিভিন্ন রাজনৈকি দল, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, মিডিয়ার প্রতিনিধি, নির্বাচন গবেষকসহ সমাজের অনেকই নির্বাচনে সেনামোতায়েনের প্রস্তাব করে থাকে। এমনকি গত ৮ এপ্রিল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের গোলটেবিল আলোচনা সভায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা উচিত বলে মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে.এম নূরুল হুদা। কেসিসি নির্বাচনে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে নির্বাচনে আনসার, পুলিশ, ব্যাটালিয়ন আনসার, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ডের পাশাপাশি যদি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হত। তবে ভোটকেন্দ্র দখলের মতো এ অবস্থা সৃষ্টি হতো না বলে অনেক নির্বাচন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ অনেকেই মনে করে থাকে। কেসিসি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল ও কারচুপির কারণে ইসি তিনটি ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করে থাকে। এ ব্যাপারে কেসিসি নির্বাচনে ২৪ নং ওয়ার্ডের একটি ও ৩১ নং ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে কী ঘটনা ঘটেছিল তা জানার জন্য ২২/৫/১৮ ইং নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি তদন্ত কমিশনকে পাঠিয়েছে।

 

এ যাবৎ বাংলাদেশে ১০টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। এসব নির্বাচনে সেনামোতায়েনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ, আনসার ও বিডিআরের পাশাপাশি সেনাবাহিনী এবং কিছু এলাকায় নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করে থাকে। ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং এইউ টু সিভিল পাওয়ার অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন এলাকার পুলিশ কমিশনার পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সেনা ও নৌবাহিনী ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে কমপক্ষে দুই প্লাটুন করে সেনা ও নৌবাহিনীর সেনাদলকে ৮ দিনের জন্য মোতায়েনের সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এ বাহিনীকে নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত শুধু শো অব ফোর্স এর ব্যবহার করার সুযোগ ছিল। ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ১৯৯১ সালের মতোই ইন্ট্রাকশন রিগার্ডিং এইড টু সিভিল পাওয়ার অনুযায়ী সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

 

কেসিসি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট পদক্ষেপ নিলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে দৃশ্যপট ও ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি বেরিয়ে এসেছে এমনিভাবে যদি ২৬ জুন গাজীপুর সির্টি কর্পোরেশন (জিসিসি) নির্বাচনে ইটিই প্রতিফলন ও পুনরাবৃত্তি ঘটে তার পরিস্থিতি আয়ত্তের মধ্যে নাও থাকতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা ব্যক্ত করে আসছেন। কেসিসি নির্বাচনের দৃশ্যপট বিবেচনা করে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (জিসিসি) নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী সংস্থার সাথে ইসি এবং সিইসি আরপিওর ৫ (১) ক্ষমতা বলে এবং ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে প্রনীত ২-এ পষধঁংব অনুযায়ী সেনাবাহিনী নিয়োগ করতে পারেন। যদি কোনো প্রেক্ষাপটে কেসিসি নির্বাচনের মতো জিসিসি নির্বাচনের অবস্থাও এমন হয় এর প্রতিক্রিয়া ইসি, সিইসি এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পড়বে না তা বলা যায় না।

 

মানুষের মন থেকে আদৌ ৮৮, ৯৬’র ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ১৫ মে কেসিসি নির্বাচনের ভোট কেলেঙ্কারির দৃশ্যপট আজো যায়নি। যদি আবার নতুন করে জিসিসি নির্বাচনে ভীমরুলের হুল ফোটে তবে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে এখনই ইসি, সিইসি’র ভেবে দেখা দরকার।

 

অপরিসীম ত্যাগ ও একসাগর রক্তের বিনিময়ে পরাধীনতার নাগপাশ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও এতদিনেও স্বচ্ছ, অবাধ, প্রভাবমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও ভোটকেন্দ্র দখল ছাড়া কম নির্বাচনই সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর কতদিন ভোটকেন্দ্র দখলের নির্বাচন সংস্কৃতি ও ভোটকেন্দ্র দখলের রাজনীতি চলবে। আর কতদিন ভোটারবিহীন নির্বাচনে অযোগ্যরা ক্ষমতার মসনদে বসে দুর্নীতি, অপকীর্তি, অনিয়ম ও ক্ষমতার গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়ে রাতকে দিন এবং দিনকে রাত করবে।

এ.কে.এম শামছুল হক রেনু : কলামিস্ট



সর্বশেষ সংবাদ

মৌলভীবাজারে বন্যার আরো অবনতি, নিহত ৭  

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করার পর যা বলল ব্রাজিল অধিনায়ক

দুবাই প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুখবর!

দেশে ফিরে যেখানে থাকছেন এমপি বদি

‘মেসির উদ্দেশ্যে ফেসবুকে যা লিখলেন মাশরাফি’

এমপিওভুক্তির দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষকরা

মুন্সীগঞ্জে মেয়ের সম্ভ্রম বাঁচাতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী!

হুদায়দার আশপাশে আটকে গেছে সৌদি বাহিনী, নিহত ৫০

১৯ ফুট লম্বা অজগরের পেট ফেঁড়ে মিললো নারীর দেহ

আজ ১৮-০৬-২০১৮ তারিখ ,দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত?

মেসির পেনাল্টি মিস করা নিয়ে একি বলল ইসরায়েল

সিলেটর নবীগঞ্জে তারাবি নামাজের টাকা নিয়ে সংঘর্ষ,আহত দেড় শতাধিক

চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে দিল মেক্সিকো

উটের ভবিষ্যদ্বাণীতে সুইস-ব্রাজিলের ম্যাচে জিতবে যে দল

বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে বাতাস খেলেন হাতপাখার শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

সন্তানের জন্য সালাহর জার্সি চাইলেন কাভানি

তাহলে আসল ঘটনা কী?

বন্ধুদের সঙ্গে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে ঈদ আনন্দে মাশরাফি,নাচলেন পথচারীরা

তবে কি নেইমার আজ খেলবেন না?

সকালে মেয়েকে ঘুম থেকে ডাকতে গিয়ে দেখি মেয়ের গায়ের কাপড় খোলা





error: Content is protected !!
Copy to clipboard