শনিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৮ ইং। ৩রা ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। সকাল ১০:০৯








প্রচ্ছদ » বিশ্ব সংবাদ

‘নারী হয়ে জন্ম নেয়ায় জন্য নিজের প্রতিই নিজের ঘৃণা জন্মাচ্ছিল’

হুদা শারাওয়ি নামে একজন নারী মিশরে বিদ্যমান হেরেম ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু একটা সময় পর্যন্ত নারী হিসেবে সব সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্য নিজের প্রতি তাঁর বিতৃষ্ণা জন্মেছিল।
প্রচলিত ব্যবস্থা মাথায় ঘোমটা পরার যে রীতি ছিল সেটা তিনি পরিত্যাগ করেছিলেন এমনকি মেয়েদের শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ দেয়ার ক্ষেত্রেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

বিবিসি আফ্রিকা সার্ভিসের ‘আফ্রিকান উইমেন হু চেঞ্জড দ্যা ওয়ার্ল্ড’ সিরিজে উঠে এসেছে হুদা শারাওয়ি’র কথা।
হুদা শারাওয়ি। তিনি জন্মেছিলেন ১৮৭৯ সালে। মিশরে তখন হেরেম ব্যবস্থা প্রচলন ছিল।হেরেম ছিল সম্পূর্ণ আলাদা একটা স্থান। যেখানে মেয়ে এবং পুরুষদেরকে পৃথক করেছিল। সেসময় বেশির ভাগ মেয়েদেরকে স্কুলে গিয়ে শিক্ষা নেয়াটা ছিল অকল্পনীয়।
কিন্তু হুদা নিজেকে শিক্ষিত করতে পেরেছিলেন, কারণ তার পরিবারের সেই অর্থ-বিত্ত ছিল। তবে কাজটা সহজ ছিল না।
যখন তার ভাইয়েরা সহজেই স্কুলে যেতো তখন রীতিমত তাকে সংগ্রাম করতে হতো এই নিয়ে। হতাশ হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

হুদা বলেছিলেন “আমি হতাশ হয়ে পরেছিলাম। আমি আমার পড়াশোনা্ও মন দিতে পারছিলাম না। আমি একজন নারী হয়ে জন্ম নেয়ার জন্য নিজের প্রতিই নিজের ঘৃণা জন্মাচ্ছিল। কারণ এটা আমাকে শিক্ষা এবং সবকিছু থেকে বঞ্চিত করছিল। আমি চিৎকার করে উঠলাম”।
১৩ বছর বয়সে হুদাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। তারই চাচাতে ভাই। যিনি ছিলেন হুদার চেয়ে ৪০ বছর বড়।তিনি বলেছিলেন, তার আর কিছু করার ছিল না। হয় বিয়েতে রাজী হতে হত নাহলে সেটা হত তার পরিবারের জন্য চরম অপমানজনক।

হুদা বলেছেন “আমার মনে হচ্ছিল আমার এই কষ্ট আমি চেপে রাখবো না আমি একটা বিপ্লব করবো”।পরিণত বয়সে পৌছে তিনি আরো নারীদের একত্রিত করলেন। প্রকাশ্যে নিয়ে এসে তাদের সামনে তিনি বক্তব্য রাখলেন। তার সবচেয়ে বড় সফলতা আসলো ১৯২৩ সালে।

সবাইকে চমকে দিয়ে তিনি কায়রো একটি রেল স্টেশনে মাথা ঢাকা স্কার্ফ ছুড়ে ফেলে দেন। এবং অন্য মেয়েদের উৎসাহিত করে বলেন “আমার সঙ্গে যোগ দাও”।এটাই ছিল মিশরে প্রথমে ঘোমটা বা মাথা ঢেকে রাখার রীতির বিরুদ্ধে প্রথম প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান। এই ঘটনার পর অনেক নারী উৎসাহিত হলেন এবং তারাও মাথা ঢাকা বন্ধ করে দিলেন।

হুদা মেয়েদের জন্য একটা স্কুল তৈরি করলেন। এবং মিশরের ফেমিনিস্ট ইউনিয়ন গড়ে তুললেন। তিনি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ করার জন্য আন্দোলন করেন দীর্ঘদিন। এবং একসময় সফল হন।হুদা মারা যান ১৯৪৭ সালে। তিনি সারাজীবন নারী এবং শিশুদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন। বিবিসির আফ্রিকান সার্ভিস এই প্রতিবেদন তৈরির জনৗ ইতিহাস এবং বিভিন্ন গবেষণা ধর্মী বই এর সহায়তা নিয়েছে।সুত্রঃ বিবিসি



সর্বশেষ সংবাদ

এইমাএ পাওয়ঃ খাগড়াছড়িতে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি,৬ জনকে গুলি করে হত্যা

এবার ঈদে উট কোরবানি দিবেন নায়িকা সিমলা! জানুন দাম

দুইবার শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ লম্পট বাবা, তৃতীয়বারে খেলো গণধোলাই!

এই ষাঁড় নিয়মিত রুটিন মোতাবেক দামী ব্র্যান্ডের মদ পান করে!

আজ ১৮-৮-২০১৮ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন টাকার রেট কত ?

যে কারণে প্রেমিককে জবাই করে হত্যা করলো প্রেমিকা ডাঃ পপি

কলেজে পড়ার সময়ে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিত মোরশেদ, তারপর…

বেড়েছে সৌদি রিয়াল রেট ,দেখে নিন আজকের রেট কত?

টাঙ্গাইলের মেহেদীর ষাঁড়টির ওজন ৩৮ মন,দাম জানলে অবাক হবেন

ভালোবেসে বিয়ে, বাইকে ধাওয়া দিয়ে স্ত্রীকে অ্যাসিড ছুড়লেন স্বামী, অতঃপর !

শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরিঘাটে, ফেরি সঙ্কটে আটকে থাকা গাড়িতে ১৫ গরুর মৃত্যু

ফখরুলের বক্তব্যের জবাবে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

অনলাইনে খাবার অর্ডারে যা মিলল, জানলে গাঁ শিউরে উঠবে!

ভাইরাল হওয়া গোপন ভিডিওর মেয়েটি আমি নই : শাহনাজ সুমি

আমি আপনার পা ধরতেও রাজি আছিঃ ড. কামাল

চ্যাম্পিয়ন হওয়াই লক্ষ্য যমজ দুই বোন আনাই মোগিনি এবং আনুচিং মোগিনির

বগুড়ায় নরপশু বাবার হাত থেকেও ইজ্জত বাঁচাতে পারলো না মেয়ে

পারিবারিক ঝগড়া অতঃপর পুকুরে ডুবে আত্মহত্যা

২০ মিনিটের জন্য ১০টাকায় মিলছে গার্ল ফ্রেন্ড!

আসন্ন কোরবানির ঈদকে ঘিরে কামারদের গভীর রাত পর্যন্ত বিরামহীন ব্যস্ততা





error: Content is protected !!
Copy to clipboard