বুধবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং। ২রা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। বিকাল ৩:৪৮








প্রচ্ছদ » ক্রাইম ওয়ার্ল্ড

প্রেমিকাকে বন্ধুর কাছে রেখে গেল প্রেমিক, ২ দিন হোটেলে রেখে বন্ধু…

Loading...

সারাদেশে ধর্ষনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে । লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু ।এবার গণধর্ষনের শিকার হলেন এক গার্মেন্ট নারী কর্মী   । জানা গেছে

প্রেমের টানে দিনাজপুর থেকে কুয়াকাটায় এসে প্রেমিক শহিদুলের বন্ধুদের হাতে গণধর্ষণের শিকার হলেন এক তরুণী। বন্ধুর প্রেমিকাকে রাতভর হোটেলে রেখে ধর্ষণ শেষে তুলে দেয়া হলো তার আরেক বন্ধু ও সহযোগীদের হাতে।নির্যাতিত তরুণী গার্মেন্ট কর্মী (৩০)। কুয়াকাটার দুটি আবাসিক হোটেলে দু’দিন এক রাত আটকে রেখে কয়েক দফায় তাকে ধর্ষণ করা হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...
Loading...

সোমবার বিকেলে ওই তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনার মূল হোতা প্রেমিক শহিদুল পালিয়ে গেলেও তার বন্ধু ও ধর্ষণে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- শহিদুলের বন্ধু আলমগীর হোসেন, তার বন্ধু খলিলুর রহমান, রুবেল চৌকিদার, যমুনা গেস্ট হাউসের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম এবং বেঙ্গল গেস্ট হাউসের ম্যানেজার সাইদুর রহমান সুমন।মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান এ ঘটনায় মহিপুর থানায় এক প্রেস ব্রিফিং করে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

কলাপাড়া থেকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুয়াকাটায় পৌঁছে প্রেমিক শহিদুলকে খুঁজে নেন তরুণী। পরে প্রেমিকাকে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে নিয়ে যায় শহিদুল। কিন্তু ওই বন্ধু তাদের বাড়িতে স্থান না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। পরে শহিদুল কৌশলে ওখান থেকে সরে পড়ে। যাওয়ার আগে তার বন্ধু আলমগীরকে বলে যায় প্রেমিকাকে যেন বাসে তুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

কিন্তু বন্ধুর প্রেমিকাকে বাসে তুলে না দিয়ে কৌশলে আবাসিক হোটেল যমুনা গেস্ট হাউসের ১০ নম্বর কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে আলমগীর। সেখানে মধ্যরাতে আলমগীর ও হোটেল ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম তরুণীকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে কয়েক দফায় ধর্ষণ করে। সেখানে রাতভর আটকে রাখা হয় তরুণীকে।খবর পেয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।

 

এ ঘটনায়  ধর্ষণে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে মূল হোতা প্রেমিক শহিদুল এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছে। আটককৃত পাঁচজনের মধ্যে একজনের বাড়ি লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর ও চারজনের বাড়ি মহিপুরের বিপিনপুর গ্রামে বলেও জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান।তবে পলাতক ঘাতক প্রেমিককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে ।