রবিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং। ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ৪:১৪










প্রচ্ছদ » ক্রাইম ওয়ার্ল্ড

কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা!

পরকীয়া যা কিনা বর্তমান সময়ে একটি সামাজিক ব্যাধিতে রুপান্তরিত হয়েছে। এখন প্প্রায়ই দেখা যায় এই পরকিয়ার ঘটনা আর তাতেই বঝা যায় আমাদের সমাজে কটটা অবক্ষয় সাধন হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ইব্রাহীম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয়রা। সে চিওড়া আছগরিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের জিনিদকরা গ্রামের প্রবাসী এয়াছিনের ঘর থেকে পালানো অবস্থায় তাকে আটক করে বাড়ির মহিলারা। আটককৃত খলিল পাশ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের শরপাতলী গ্রামের আমীর হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইব্রাহীম খলিল ইতিপূর্বেও একই ইউনিয়নের ছোট সাতবাড়িয়া গ্রামে থাকা অবস্থায়ও বেশ কয়েকটি অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। পরে প্রবাসী এয়াছিনের স্ত্রী আকলিমার সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে ইব্রাহীম খলিলের। সখ্যতাকে আরও গভীর করার জন্য লম্পট কৌশলে আকলিমার ২ ছেলেকে প্রাইভেট পড়ানোর নামে তাদের ঘরে নিয়মিত প্রবেশের পথ বের করে। এতে তাদের মধ্যে সখ্যতা বেড়ে শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়।

স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টায় খলিল গৃহবধু আকলিমার ঘরে প্রবেশ করে। পরদিন শুক্রবার সকালে লোকচক্ষুর ভয়ে লম্পট খলিল গৃহবধুর ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস করেনি।

এসময় বাড়ির পাশ্ববর্তী অন্যান্য মহিলারা বিষয়টি টের পেলে গৃহবধু আকলিমা ইব্রাহিমকে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে পিতার বাড়ি একই ইউনিয়নের শাকতলা চলে যায়। বেশ কয়েক ঘন্টা পর খলিল ঘরের দরজা ভেঙ্গে বের হওয়ার চেষ্টা করলে বাড়ির মহিলারা তাকে ধরে ঘরের ভুতুরের সাথে বেঁধে রাখে।

পরে ছেলের আটকের খবর পেয়ে তার গ্রামের বাড়ি ঢালুয়া ইউনিয়নের শরপাতলী থেকে পিতা-মাতাসহ গ্রামের বেশ কয়েকজন লোক ঘটনাস্থলে আসে। এসময় জিনিদকরার স্থানীয় লোকজন পিতা-মাতার জিম্মায় ও মুচলেকা নিয়ে লম্পট ইব্রাহীম খলিলকে ছেড়ে দেয়।

এ বিষয়ে চিওড়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম ভূঁইয়া জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চিওড়া মাদ্রাসা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইব্রাহীম খলিলকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে জিনিদকরায় আটক করে একটি পক্ষ। পরে তাকে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।