বুধবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং। ২রা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। বিকাল ৩:৪৬








প্রচ্ছদ » বিভিন্ন সংবাদ

১৩ বছরের মেয়েকে বিয়ে করে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাবজ্জীবন নিষিদ্ধ শিক্ষক নূর!

Loading...

বধূর বয়স ১৬ না পেরোলে তার সঙ্গে স্বামীর সহবাসের অধিকার নেই। এই ম্ুহূর্তে এ দেশে যে মেয়েদের বয়স ২০ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে, তাঁদের প্রতি পাঁচ জনে এক জনের বিয়ে হয়েছে পনেরো বছরের আগে, আর প্রতি দু’জনে এক জন মেয়ের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই, তাঁরা মা হয়ে গেছেন মোটামুটি ভাবে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই। আর শরিয়ত অনুযায়ী ঋতুমতী হলেই মেয়েদের বিয়ে হতে পারে।

বৃটেনে শিক্ষকতায় নিযুক্ত জসিম নূর (৩৪) বিয়ে করেছেন অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক বালিকাকে। এরপর তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ওই সময়ও তার সেই অপ্রাপ্ত বয়সী স্ত্রী স্কুলবয়সী। এ অপরাধের কারণে পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক জসিম নূরকে যাবজ্জীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...
Loading...

জসিম নূর ব্লাকফ্রায়ারস-এ লন্ডন নটিক্যাল স্কুলের শিক্ষক। যখন তার বয়স ২২ বছর, তখন তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এখানে এসে বিয়ে করেন ১৩ বছর বয়সী একটি বালিকাকে। তার সঙ্গে রাত্রিযাপন করতে থাকেন। সেটা ছিল গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময়। ২০০৬ সালের সেই সময়ে তিনি দেশে ফেরার পর সাক্ষাত হয় ওই বালিকার সঙ্গে।

পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাবার্তা হতে থাকে। দেখা সাক্ষাতের তিন দিন পরেই তাদের বিয়ে হয়। জসিম নূরের বয়স এখন ৩৪ বছর। তিনি যাকে বিয়ে করেছিল তাকে ইংরেজিতে সংক্ষেপে শুধু ‘চাইল্ড এ’ নামে প্রকাশ করা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল।

বৃটেনের কভেন্ট্রিতে টিচিং রেগুলেশন অথরিটি প্যানেল গত মাসে বৈঠকে বসে। সেখানে জসিম নূরের দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। জসিম নূর দাবি করেছেন, তিনি জানতেন না তার স্ত্রীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয় নি। তবে তার স্ত্রীর দাবি, তিনি তার স্বামীকে বলেছিলেন তার বয়স ১৩ বছর এবং অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতেন।

জসিম নূর তার স্ত্রীর বয়স গোপন রাখার জন্য তার শ্বশুর-শাশুড়িকে দায়ী করেন। বলেন, তিনি তার প্রকৃত বয়স জানতেন না। এক পর্যায়ে ২০১৩ সালে পুলিশে অভিযোগ দেন তার স্ত্রী। তার হাড়ের পরীক্ষা করে বয়স নিশ্চিত করা হয়। তাতে দেখা যায়, বিয়ের সময় তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন।

অনেকের মতে যে দেশে আঠারোর নীচে কেউ প্রাপ্তবয়স্ক বলে গণ্য নয়, ভোট দিতে পারে না, চুক্তি করতে পারে না, আইনমতে বিয়ে করতে পারে না, সে দেশে সম্মতির বয়স ষোলো করা মানে তো তারা যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে পারে বলে ধরেই নেওয়া হচ্ছে, তা কী করে সম্ভব?

বাকি অনেকে ভয় পাচ্ছেন এর ফলে সব কিশোর-কিশোরীরাই শরীরী সম্পর্কে মেতে উঠবে। দু’দলের জন্যই একটা জবাব: ধর্ম-বর্ণ, গ্রাম-শহর, নির্বিশেষে সব বিয়েতে পাত্রী আঠারো আর পাত্র একুশ হবে নয়তো বিয়েটাই অবৈধ সরকার এই অবস্থান নিক, কঠোর নজরদারি চালাক, তা কার্যকর করার জন্য। না হলে গোঁড়া অভিভাবক আর খাপ পঞ্চায়েতের হাত শক্ত করার কী প্রয়োজন?